Skip to content

Routing Protocols: Distance Vector (ডিস্টেন্স ভেক্টর রাউটিং)

ডাইনামিক রাউটিং প্রোটোকলগুলো প্রধানত দুই ধরণের হয়। তার মধ্যে সবচেয়ে সহজ এবং পুরনো পদ্ধতি হলো Distance Vector। একে অনেক সময় "Routing by Rumor" বলা হয় কারণ রাউটার তার প্রতিবেশীর কাছ থেকে শুনেই পুরো নেটওয়ার্কের ম্যাপ তৈরি করে।


১. RIP (Routing Information Protocol)

RIP হলো সবচেয়ে পরিচিত ডিস্টেন্স ভেক্টর প্রোটোকল। এটি খুব ছোট নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হয়।

  • v1 vs v2:
    • RIPv1: এটি একটি Classful প্রোটোকল। অর্থাৎ এটি সাবনেট মাস্ক পাঠাতে পারে না। এটি ব্রডকাস্টের মাধ্যমে আপডেট পাঠায়।
    • RIPv2: এটি Classless প্রোটোকল। এটি সাবনেট মাস্ক সাপোর্ট করে এবং মাল্টিকাস্ট (224.0.0.9) এর মাধ্যমে আপডেট পাঠায়, যা আরও সিকিউর এবং ইফিশিয়েন্ট।

২. হপ কাউন্ট মেট্রিক (Hop Count Metric)

RIP রাস্তা বাছাই করার জন্য কেবল একটি জিনিস দেখে—তা হলো Hop Count (মাঝখানে কতগুলো রাউটার আছে)।

  • সর্বোচ্চ সীমা: ১৫ হপ। যদি কোনো নেটওয়ার্ক ১৬ হপ দূরে থাকে, RIP সেটিকে Unreachable বা অগম্য মনে করে।
  • সীমাবদ্ধতা: এটি ব্যান্ডউইথ দেখে না। একটি ১জিবিপিএস লিংক ২ হপ দূরে হলে এবং একটি ১০০এমবিপিএস লিংক ১ হপ দূরে হলে, RIP ১০০এমবিপিএস লিংকটিই বেছে নেবে।

৩. লুপ প্রিভেনশন মেকানিজম (Loop Prevention)

ডিস্টেন্স ভেক্টর প্রোটোকলে লুপ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এটি রোধ করার জন্য কিছু পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়:

  • Split Horizon: রাউটার যে ইন্টারফেস দিয়ে কোনো নেটওয়ার্কের খবর পেয়েছে, সেই ইন্টারফেস দিয়ে ওই খবরের আপডেট আর ফেরত পাঠাবে না।
  • Route Poisoning: যখন কোনো নেটওয়ার্ক ডাউন হয়ে যায়, রাউটার ওই রোডের হপ কাউন্ট ১৬ করে দেয়। এর মানে হলো রাস্তাটি বিষাক্ত (Poisoned) বা অকেজো।
  • Hold-down Timers: কোনো রুট ডাউন হলে রাউটার সাথে সাথেই অন্য কারোর কাছ থেকে ওই রোডের নতুন কোনো খবর বিশ্বাস করবে না। সে নির্দিষ্ট সময় (Hold-down period) অপেক্ষা করবে কনফার্ম হওয়ার জন্য।

৪. EIGRP Basics

EIGRP (Enhanced Interior Gateway Routing Protocol) মূলত সিসকোর উদ্ভাবিত একটি "Advanced Distance Vector" বা হাইব্রিড প্রোটোকল।

  • এটি কেবল হপ কাউন্ট দেখে না, বরং Bandwidth এবং Delay দেখে সেরা রাস্তা খুঁজে বের করে।
  • এটি RIP-এর চেয়ে অনেক দ্রুত কাজ করে এবং বড় নেটওয়ার্ক সাপোর্ট করে।

৫. ডিস্টেন্স ভেক্টর এর সুবিধা ও অসুবিধা

বৈশিষ্ট্যসুবিধা (Advantages)অসুবিধা (Disadvantages)
কনফিগারেশনসেটআপ করা খুব সহজ।বড় নেটওয়ার্কে সাপোর্ট করে না।
রিসোর্সরাউটারের সিপিইউ/র‍্যাম খুব কম লাগে।কনভারজেন্স অনেক ধীর (আপডেট হতে সময় নেয়)।
ব্যান্ডউইথঅল্প ট্রাফিক ব্যবহার করে।সাব-অপ্টিমাল রাস্তা পছন্দ করতে পারে।

৬. ডেভঅপস পারসপেক্টিভ: প্রোটোকল সিলেকশন

  • Legacy Systems: বর্তমানের ডাটা সেন্টারে RIP প্রায় ব্যবহার করা হয় না বললেই চলে। তবে লেগাসি বা পুরনো কিছু সিস্টেমে এখনও এটি পাওয়া যেতে পারে।
  • Simplicity: খুব ছোট কোম্পানি ব্যাকআপ হিসেবে অনেক সময় স্ট্যাটিক রাউটের সাথে RIP ভিউ ব্যবহার করে।
  • Protocol Migration: ডিস্টেন্স ভেক্টর থেকে লিঙ্ক-স্টেট (OSPF) বা বিজিপি (BGP)-তে মাইগ্রেশন করার সময় AD ভ্যালু নিয়ে সতর্ক থাকতে হয় যেন ট্রাফিক লুপ না হয়।

মনে রাখুন!

ডিস্টেন্স ভেক্টর হলো রাউটিং এর হাতেখড়ি। এটি বুঝলে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন রাউটারগুলো কীভাবে একে অপরের সাথে কথা বলে তথ্য শেয়ার করে।

Released under the MIT License.